চিন্তার ফাঁদ: ১৩টি সাধারণ ধরন, সহজ ভাষায়
চিন্তার ফাঁদ, যাকে কগনিটিভ ডিস্টরশনও বলা হয়, এমন চিন্তার ধরন যাতে সবাই কখনো না কখনো পড়েন, উদ্বেগের বা ভারী দিনে আরও বেশি। একটা ফাঁদ চিনতে পারাই আরও ন্যায্য চিন্তার দিকে প্রথম পদক্ষেপ।
- সব-অথবা-কিছুই-নাশুধু দুটো বিকল্প দেখা, মাঝখানে কিছুই নেই।“নিখুঁত না হলে সেটা ব্যর্থতা।”
- অতি-সাধারণীকরণএকটা ঘটনা হয়ে যায় “সবসময়” বা “কখনোই না”।“আমি সবসময় সব গুলিয়ে ফেলি।”
- মানসিক ছাঁকনিশুধু খারাপ খুঁটিনাটিটাই গোনা হয়; বাকিটা মিলিয়ে যায়।একটা অস্বস্তিকর প্রশ্নের পরেই “বক্তৃতাটা খারাপ হয়েছে”।
- ভালোকে বাতিল করাভালো কিছু ঘটে, কিন্তু সেটা “গোনার মধ্যে পড়ে না”।“ওরা শুধু ভদ্রতা করছে।”
- মন পড়াধরে নেওয়া যে অন্যরা কী ভাবছে তা আপনি জানেন।“ও ভাবে আমি একঘেয়ে।”
- ভবিষ্যদ্বাণী করাখারাপ পরিণতি ঘটার আগেই সেটাকে সত্যি বলে ধরে নেওয়া।“আমি ইন্টারভিউতে ফেল করব।”
- সবচেয়ে খারাপটা ভাবাসোজা সবচেয়ে খারাপ পরিণতিতে চলে যাওয়া।“দেরি হলে আমার চাকরি চলে যাবে।”
- নিজেকে ছোট করে দেখানিজের শক্তি আর চেষ্টাকে ছোট করে দেখা।“ওটা তো যে কেউ পারত।”
- আবেগ দিয়ে যুক্তি“আমার এমন লাগছে, তাই নিশ্চয়ই এটা সত্যি।”“নিজেকে বোকা লাগছে, তাই আমি বোকা।”
- “উচিত” বাক্যআপনি বা অন্যরা কেমন হতেই হবে, তা নিয়ে কড়া নিয়ম।“আমার কখনো ভুল করা উচিত নয়।”
- তকমা লাগানোকেউ একটা কাজ করেছে বলে পুরো মানুষটার গায়েই তকমা লাগিয়ে দেওয়া।“আমি একটা অপদার্থ।”
- নিজের ঘাড়ে নেওয়াযা আপনার নিয়ন্ত্রণের বাইরে, তার দোষ নিজের ঘাড়ে নেওয়া।“আমার জন্যই অনুষ্ঠানটা জমেনি।”
- দোষারোপনিজের অনুভূতির জন্য পুরোপুরি অন্যদের দায়ী করা।“ও আমার দিনটাই নষ্ট করে দিল।”
একটা চোখে পড়েছে? চিন্তাটা যাচাই করুন।
ফাঁদটার নাম দেওয়া একটা শুরু। এই অনুশীলনগুলো চিন্তাটাকে আবার দেখতে আর আরও ন্যায্য কথায় বলতে সাহায্য করে।